রাজনীতির সেকাল আর একাল : একেএম বেলায়েত হোসেন।
আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরা জনগণের জন্য রাজনীতি করে।
রাজনীতির সেকাল আর একাল।
ষাটের দশকের কথা। রাজনীতি নিয়ে আলোচনা চলছিল। কথা বলছিলেন প্রয়াত জননেতা এম এ আজিজ। তদানিন্তন চট্টগ্রাম (উত্তর) মহকুমা আওয়ামী লীগের সভাপতি, প্রয়াত জননেতা এম এ ওয়াহাব, কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক ফজলুল হক বিএসসি এবং আমি উপস্থিত ছিলাম।
আজিজ ভাই বলছিলেন মুসলিম লীগ নেতাদের পদলেলেহন করে যারা বিত্তশালী হচ্ছে আমরা তাদের চাইতে চালাক চতুর কম নয়। আমরা জনগনের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করি। সরকার আমাদেরকে জেলে পাঠায়। জেল থেকে বের হতে পারলে আবার আন্দোলন সংগ্রামে শরিক হয়ে পরি।আবার জেলে দেয়া হয়।
আমরা অর্থ উপার্জন দুরের কথা নিজের পৈত্রিক সম্পত্তি রক্ষা করাও মুষ্কিল হয়ে যায়। এ-ই ওয়াহাব ভাই পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করে রাজনীতি করছেন। আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরা জনগণের জন্য রাজনীতি করে। জনগণের জন্য যেকোন স্বার্থ ত্যাগ করতে তারা দ্বিধা করেনা। তাই তারা অর্থোপার্জন করার চেষ্টা করেনা। এটা ছিল সেকালের আওয়ামিলীগ।
বর্তমান সময়ের রাজনীতির গতি প্রকৃতি আগের জায়গায় নাই। এখন দলবদল করে ক্ষমতাসীন দলে আসে অর্থ উপার্জন করার উদ্দেশ্যে। লজ্জাজনক বিষয় হল তদ্বির বাজি। কোন যুবক নতুন একটা চাকরি বা কোন চাকুরিজীবী পদোন্নতির জন্য এরুপ তদবির করেনা।দলের অনেক নেতাকর্মী পদ পদবীর জন্য যেভাবে তদবির করে। এরা বেহায়াপনার সকল সীমা অতিক্রম করতে পারে। এসব দলবদল স্বার্থান্বেষী অনুপ্রবেশকারীদের জন্য দল ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এদেরকে দল থেকে বের করে ত্যাগী নেতাকর্মীদের কাজ করবার সুযোগ সৃষ্টির কোন বিকল্প নেই।
এ কে এম বেলায়েত হোসেন : উপদেষ্টা চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ।




কোন মন্তব্য নেই
please do not enter any spam link in the comment box.