আমি কখনও কোন পদের জন্য লালায়িত ছিলাম না-একেএম বেলায়েত হোসেন।
এখন আমি রাজনৈতিক বেকার। গত সাত বছর যাবত আমাকে বেকার করে রাখা হয়েছে। কিন্তু কেন? আমার এ ছোট্ট প্রশ্নের উত্তর কি নেতৃবৃন্দ দিতে পারবেন?

একেএম বেলায়েত হোসেন
১৯৮২ সালে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে আমাকে কার্যকরী কমিটির সদস্য করা হয়। অতঃপর '৮৬ সালে তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং ১৯৯৬ সালের কাউন্সিল অধিবেশনে আমাকে সহ-সভাপতি নির্বাচিত করা হয়,আমি কখনও কোন পদপ্রার্থী বা পদের জন্য লালায়িত ছিলাম না। 
রাজনীতিতে শীত বর্ষা গ্রীষ্ম অর্থাৎ সুূদিনে বা দুর্দিনে কঠিনতম আন্দোলন সংগ্রামে কখনো একদিনের জন্য ও রাজনীতির মাঠ ছেড়ে পালিয়ে যায়নি। চাকুরীতে প্রায় দেড়যুগ আমার পদোন্নতি হয়নি। চাকুরী করেছি সাধারন বীমায়। এম,ডি ছিলেন শামসুল আলম। তিনি ছিলেন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান সাহেবের ভায়রা ভাই।মহিউদ্দিন ভাই-এর অনুরোধে জিল্লুর রহমান সাহেব ব্যক্তিগত ভাবে সাধারণ বীমার অফিসে গিয়ে এম,ডি কে অনুরোধ করার পরও আমার পদোন্নতি হয়নি।অপরাধ আমি আওয়ামি -লীগ করি।
১৯৯১সালে জানোয়ারের দল ক্ষমতায় আসে। আমার বড় ছেলে জীবনের প্রতিটি পাবলিক পরীক্ষায় 1st class and 1st class in Master’s তাকে মিথ্যা খুনের মামলায় জড়িয়ে ১৪দিন জেল খাটায়। অপরাধ আমার রাজনীতি। সহ-সভাপতি হওয়ার পর আইনের প্রতি সম্মান রেখে আমি সাধারণ বীমার চাকরি ছেড়ে দিলাম।
১/১১ এর পর দুই বছর আমি ছিলাম চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামিলীগ'র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি। আমি জাতীয় সাংসদ নির্বাচনে পরপর তিনবার ডাঃ আফছারুল আমিনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ছিলাম। আমার প্রয়াত স্ত্রী কানিজ ফাতিমা মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগ'র প্রতিষ্ঠাতা কমিটিতে সভা-পতি বেগম নিলু-ফার কায়সার'র সাথে সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। ঐপদে থেকেই তিনি মারা যান। কিন্তু এখন আমি রাজনৈতিক বেকার। গত সাত বছর যাবত আমাকে বেকার করে রাখা হয়েছে। কিন্তু কেন? আমার এ ছোট্ট প্রশ্নের উত্তর কি নেতৃবৃন্দ দিতে পারবেন?
এ কে এম বেলায়েত হোসেন
উপদেষ্টা চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ।




কোন মন্তব্য নেই
please do not enter any spam link in the comment box.